কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১২ এ ০৪:৫০ PM
টংক শহীদ স্মৃতি সৌধ
কন্টেন্ট: পর্যটন স্পট
<p><span style="color: #000000;"><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">বৃটিশ ও জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের দাবীতে বৃহত্তর উত্তর ময়মনসিংহের কৃষকগণের সংগ্রাম কৃষক বিদ্রোহ ও টংক আন্দোলন নামে পরিচিত। আন্দোলনের প্রাণ শক্তিই ছিল আদিবাসী কৃষকগণ। </span><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;"> তাঁদের এ </span><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">মহান আত্মত্যাগের স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা স্বরুপ সুসং দুর্গাপুরে এম.কে.সি.এম সরকারী স্কুলের পশ্চিম পার্শ্বে ৩২ শতাংশ জমির উপর টংক শহীদ স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়। এখানে প্রতি বছর </span></span><span style="color: #000000;"><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">৩১শে ডিসেম্বর </span></span><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">মহান নেতা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মনি সিং এর মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়। মনিমেলা নামে এ অনুষ্ঠান ৭ দিন যাবৎ চলে।</span></span><br><span style="color: #000000;"><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">বৃটিশ ও জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের দাবীতে বৃহত্তর উত্তর ময়মনসিংহের কৃষকগণ ১৯৩৬ হতে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত সংগ্রাম আন্দোলন চালিয়ে যায়। এটি কৃষক বিদ্রোহ ও টংক আন্দোলন নামে পরিচিত। আন্দোলনের প্রাণ শক্তিই ছিল আদিবাসী কৃষকগণ, বিশেষ করে হাজং আদিবাসীগণ (ললিত সরকার হাজং, বিপিন গুন, পরেশ হাজং, রেবতী অস্বমনি ও রাশমনির নেতৃত্বে এ আন্দোলন সংগঠিত হয়)। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও মেহনতি মানুষের নেতা কমরেড মনি সিংহ ১৯৪০ সালে দশাল গ্রামের </span><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">বাঙ্গালী কৃষকদেরকে নিয়ে এ আন্দোলন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। </span><span style="font-size: 13pt; line-height: 130%; font-family: NikoshBAN;">সূদীর্ঘ ১৩ বছর আন্দোলন সংগ্রামে এ অঞ্চলের বহু কৃষক প্রাণ হারান।</span></span></p>